যেখানে পুরু’ষ নেই তবুও মা হচ্ছেন মে’য়েরা

0
20

দক্ষি;ণ কেনিয়ার একটি ছোট জনপদ হল উমোজা। ২৭ বছর ধরে এখানে শুধু মে’য়েদের বাস। কাঁ.টাতারে ঘেরা এই গ্রামে ছেলেদের প্রবেশ নি;ষেধ।কেন?

তাহলে ফিরে যেতে হবে ১৯৯০ সালে।সেই সময় ব্রিটিশদের হাতে গ;ণধ;র্ষ;ণের শি;কা;র হন এখানকার ১৫ জন ম’হিলা। এরপর তারা ঠিক করেন গ্রামের একপ্রা;ন্তে নিজেদের মতো জনপদ তৈরি করে তারা থাকবেন।কোনও রকম পুরু’ষে;র প্রবেশ নি;ষে;ধ। সেই ১৫ থেকে আজ সংখ্যা;টা এসে দাঁড়িয়েছে ২৫০ জনে।

অল্প ব’য়সে বিয়ে হয়ে যাওয়া, গার্হ;স্থ্য হিং;সা আর নি;র্যা;তনে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া কিংবা ধ;র্ষ;ণে;র শি;কা;র হয়েছেন এমন ম’হিলাদের ঠাঁ;ই হয়েছে এই গ্রামে।

ম’হিলারা মনে করেন তাদের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় এই গ্রাম। আর অ’সহায় মে’য়েদের জন্য এই গ্রামের দরজা সবসময় খুলে রেখেছেন বাকি মে’য়েরা। শুধু মে’য়েরাই নন, তাদের স’ন্তানরাও রয়েছেন স’ঙ্গে।

এবার প্রশ্ন হল যে গ্রামে পুরু’ষের প্রবেশ নি;ষেধ সেখানে মে’য়েরা কীভাবে পুরু’ষের সাহায্য ছাড়াই স’ন্তানের জ’ন্ম দিচ্ছেন।গ্রামে যেহেতু পুরু’ষের প্রবেশ নি’ষেধ তাই পছন্দের পুরু’ষের স;ঙ্গে যৌ;নমি’লনের জন্য রাতের বেলা অন্য গ্রামে যান মে’য়েরা। তবে বাইরের কোনও অতিথির স;ঙ্গে যৌ;নমি;লন করতে পারবেন না মে’য়েরা এমনও নিয়ম রয়েছে। মে’য়েরা তাদের গ্রাম সাম্বু;রু;তে নিজেরাই গড়ে তুলেছেন স্কুল, কালচারাল সেন্টার এবং সাম্বুরু ন্যাশনাল পার্ক।

তাদের নিজস্ব একটি ওয়েবসাইটও রয়েছে। নিজেরা গয়না এবং ঘরসাজানোর নানা দ্রব্য বানিয়ে তা যেমন অনলাইনে বিক্রি করেন তেমনই পর্যটকদের কাছেও বিক্রি করেন। বহু পর্যটক আসেন এই গ্রাম ঘুরতে। তাদের জ;ঙ্গলসাফারি, মিউজিয়াম ঘুরে দেখানোর দায়িত্বও থাকে ম’হিলাদের হাতে। আসার আগে অনলাইনে বুকিং করতে হয়।