আবাসিক হোটেলে ভুলেও যে কাজগুলো করবেন না

0
15

আবাসিক হোটেলে থাকার সময় কিছু বিষয় আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। বিভিন্ন কাজের সূত্রে কারণে অনেক সময়েই আমা-দের আবা’সিক হোটেলে থাকতে হয়। না হলে আমা-দের ভয়াবহ ক্ষতি হওয়ার সুযোগ থাকে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন কাজ_গুলো আবা’সিক হোটেল এ থাকলে করাই যাবে না।

চট করে দর’জা খুল_বেন না:
দর’জায় কড়া নাড়া হলো আর কিছু না বুঝেই বললেন, “কাম ইন।” এই বিশাল ভুলটি কখনোই করতে যাবেন না। হোটেল কিন্তু কখ’নোই তেমন নিরা’পদ জায়গা নয়। সুতরাং পরিচয় জেনে তার পরে দর’জা খুলুন।

হোটেল এর মিনি’বারের পানীয় নয়:
কোমল কিংবা কঠিন, যেমন পানীয়ই খান না কেন, সেটি হোটেল এর মিনি’বার থেকে খেতে যাবেন না। দেখা যেতে পারে আপনার রুম ভাড়ার চেয়ে মিনি’বারের বি’লই দিতে হচ্ছে দ্বি’গুণ-তিন গুণ!

হোটেল এর জি’নিস নিজের ভাব’বেন না:
সম্প্রতি ইজ’রাইল এর পর্য’টক দের বিরু’দ্ধে আমিরা’তের হোটেল থেকে বিভিন্ন জিনিস চুরির অভি_যোগ উঠেছে। হোটেল এর দামি আস’বাব, এমনকি টাওয়েল, পেই’ন্টিং এগুলো নিজের সম্পদ ভাব’বেন না।

ছার পোকায় সাবধানতা:
যত বিলাস বহুল কক্ষ’ই হোক আর সু’সসজ্জিত বিছানাই হোক না কেনো, ছার পোকা ঠিকই জানে কীভাবে নিজের জায়গা করে নিতে হয়। সুতরাং এ ব্যাপারে ভালো মতো তল্লা’শি চালান, ছার পোকার সামান্য আনা গোনা দেখ’লেই সবকিছু ঠিক’ঠাক করে দেয়ার জন্য কর্তৃ পক্ষকে অব’হিত করুন।

কলের পানি খাবেন না:
এক ব্রি’টিশ দম্পতি লস অ্যাঞ্জেলেস এ বেড়া’তে এসে ট্যাপ বা কল থেকে পানি পান করেন। সেই পানিতে কেমন যেন বিচিত্র স্বাদ, এমন স্বা’দের পানি নাকি তারা কখনো’ই খাননি। পরে অনুস’ন্ধানে জানা যায়, হোটেল এর জলা’ধারে একটি মৃ’ত’দে’হ! কার ভাগ্যে কী থাকে, তা তো আর বলা যায় না।

রিমোট কন্ট্রো’ল ব্যব’হার করবেন না:
হোটেল টি সুলভ বা বিলাস বহুল যেমনই হোক না কেন, এতে জীবা’ণুর উপস্থি’তির সম্ভা’বনা বেশি। সাম্প্রতিক এক গবেষ’ণায় এ তথ্য জানা গেছে। আর এসব জীবা’ণুর একটি বড় অংশ থেকে যায় টেলিভিশন এর রিমোট কন্ট্রো’লে।

রুম নম্বর বল’বেন না:
যেখানে সেখানে বা চেক-ইনের সময় আপনার হোটেল এর রুম নম্বরটি নিজে উচ্চারণ কর’বেন না। দুষ্কৃত’কারী’রা এসব তথ্যের জন্যই মুখি’য়ে থাকে। এ বিষয়টি যতটা পারেন হাইড রাখুন, নতুন পরিচিত কাউ’কেই রুম নম্বর জানা’তে যাবেন না।

মূল্য’বান জিনিস কক্ষে রাখবেন না:

মূল্যবান জিনিস পত্র অনে’কেই হোটেল রুমের গোপনীয় কোনো একটি জায়’গায় রেখে দেন। এটি চরম ভুল। হোটেল রুম থেকে চুরি করতে যারা ওস্তাদ, তারা কিন্তু ওই সব ‘গোপন’ জায়’গার হদিস আপ’নার চেয়ে ভালো জানে!

‘ডু নট ডি’স্টার্ব’ সাইন:
দরজা লাগিয়ে দিলেই কিন্তু হলো না। যতক্ষণ না ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ সাইন বাইরে ঝুলিয়ে দি’চ্ছেন, ততক্ষণ যে কেউ এসে উটকো_ভাবে আপনার ব্যক্তি-গত সময়ে বাধ সাধতে পারে। আবার ঘর পরি’ষ্কা’রের চিন্তা থাকলে সেটি সরিয়ে ফেলুন।

সংক্ষিপ্ত একটি গল্পঃ। আপনাদের পড়ার দরকার নাই ✅✅

আচ্ছা তিশু কাল তুমি কতগুলো স্লিপিং পিল নিয়েছিলে যেনো?
শুভর কথা শুনেই তিশার বিষম লেগে যায়।
তিশা কাশছে আর শুভ চুপ করে রাগি দৃষ্টিতে ওর দিকে তাকিয়ে আছে।
শুভ তিশাকে পানি খেতে দেয় না। তিশা নিজে উঠে পানি খেয়ে শুভর পাশে বসে কোলে না বসে। শুভ রাগি চোখে তিশার দিকে তাকাতেই তিশা শুভর কোলে এসে বসে পরে।
)- তুমি আগেই বলতে আমার হাতে চড় খেতে তোমার খুব ভালো লাগে। তাহলে তিন বেলা খাবারের সাথে তিনটা করে চড় ফ্রি খাওয়াতাম। যদি বলি চার বেলাই দিতাম।
)- আ,,,,আমি আবার ক,কি করলাম?
)- মিথ্যা কেনো বলেছিলে তুমি ১০টা পিল খেয়েছো?
)- ক,,,ক,,কই?
)- মারবো টেনে এক চড়। বলদে পাইছো আমারে? দশটা স্লিপিং পিল খেলে কেউ এতো সময় চুপচাপ কোমড়ে আঁচল গুজে ঝগড়া করতে পারতো?

)- ধমকাচ্ছো কেনো?
)- ধমকাবো না মানে, তুমি আমাকে টেনশন দিয়ে খুব মজা পাচ্ছিলে তাই না? খুব খুশি লাগে আমাকে কষ্ট দিতে।
)- আমি কি করে কষ্ট দিলাম? তুমি যখন আমাকে কষ্ট দিলে তখন কিছুনা আর আমি একটু ঘুমের ঔষধ খেলাম আর তুমি পায়ের ওপর পা তুলে আমাকে ধমকাচ্ছো।
)- আমি বারন করেছিলাম তোমাকে। তার পরেও কেনো? বলো কেনো?
)- আ,,,,মি তো বেশি খাইনি,শুধু পাঁ,,,,,চ টা খেয়ে,,,ছিলাম। তো,,তোমাকে মি,,,মিথ্যাে বলেছিলাম যে দ,,দশটা খেয়েছি। দ,,,দেখতে চেয়েছিলাম ত,,,তুমি সত্যি আমাকে ভা,,,,ভালোবাসো কি,,,না।
,)- ওহ্ আপনি দেখেছেন তাহলে?আমি ধন্য হলাম। কি বুঝলেন পড়ে? আমি পাশ করেছি নাকি ফেইল?
শুভর রাগি ফেস দেখে তিশা আর কথা বাড়ালো না।
)- না,মানে খুদা লেগেছে। খাবো আমি।
শুভ কিছু না বলে তিশাকে খাইয়ে দিয়ে রুম থেকে বের হয়ে যায়।
সাথে সাথে আবার রুমে ঢোকে
)- ওহ্ একটা কথা। আজকের পর থেকে আপনি মুক্ত। আপনার যা ইচ্ছা করতে পারেন আমি আর আপনাকে কিছু করতেই বারন করবো না।
,

কথাটা বলেই শুভ রুম থেকে বের হয়ে গেলো। তিশা সোফায় শরীর এলিয়ে শুয়ে পরে।
)- ভাগ্য করে একটা বর পেয়েছি। মিনিটে মিনিটে রং পাল্টায়। গিরগিটি কোথাকার।এত রাগ কই থেকে আসে। কিন্তুু একটা জিনিস বুঝিনা মিথ্যা বললে ধরা খেয়ে যাই কি ভাবে।
আরে বাবা আমি না হয় মজা করেই একটু বলেছিলাম। বেশি খাইনি তো আর। এতো হাইপার হবার কি আছে বাপু। ভালো লাগেনা।
,

শুভ এসে হুট করে ড্রয়্যার থেকে কিছু কাগজপত্র বের করে নিয়ে রুম থেকে বের হয়ে যায়।তিশা শুভর সামনে এসে দাড়ায়।
)- কোথাও যাচ্ছো?
)- হুম।
)- কখন আসবে?
)- যখন কাজ শেষ হবে।
)- আমি কোচিং এ যাবো আজ?
)- সেটা তো আপনার পারসোনাল ব্যাপান আমাকে বলছেন কেনো? আপনি অসুস্থ শরীর নিয়ে যাবেন কি জাবেন না সেটা নিতান্তই আপনার ব্যাপার । আমি অধম আপনার কাজে বাঁধা দিতে পারি।
)- sorry আপনি যান।
তিশা বেলকুনিতে চলে যায়। গিয়ে কান্না করতে থাকে।
)- আর কিছু পারেন আর না পারেন ড্রামা ভালো করেই করতে পারেন। মিষ্টির রস সব সময় পড়তেই থাকে।
আশাঃ ভাবি, তীর্থ ভাই আর ভাবি এসেছে। তোমাকে ডাকছে।
)-চলো।

,
তিশা চোখ মুছে আশাকে নিয়ে নিয়ে বের হয়ে যায়।
তীর্থঃ আয় বুনু। কেমন লাগছে এখন?
তিশা গিয়ে সোজা ভাই এর গা ঘেঁষে বিড়ালের বাচ্চার মতো বসে পরে।তীর্থ এক হাতে বোনকে জরীয়ে নেয়।
)- ভালো। তুমি কেমন আছো?
তীর্থঃ আমার বাচ্চাটার এমন অবস্থা আমি কি করে ভালো থাকি বল।
শষীঃ কেমন আছিস তিশা?
তিশা ঃ ভালো।
তিশা ঝট করে উঠে শষীকে টেনে একটু পাশে টেনে আসে।
)- আরে কি হলো?
তিশা ওর ভাবির দুহাত শক্ত করে চেপে ধরে।
)- ভাবি আমি একটা কথা বলবো। তুমি তার উত্তর মন থেকে দেবে বলো।
)- হ্যা। কি বলবি বল।
)- তুমি রাজি না হলে আমি জোর করবো না।
)- আচ্ছা বলতো
)- ভাবি আমি যদি আজ তোমার বাসায় যাই। তুমি কি বিরক্ত হবে? মানে আমি ২,১ দিন থেকে চলে আসবো।বেশি দিন থাকবো না বিশ্বাস করো।
শষীঃ

তিশাঃ কি হলো কথা বলছো না কেনো? তুমি না বললে আমি যাবো না বিশ্বাস করো। সেদিন তুমি বারন করার পরে আমি তো আর কখনও ও বাড়ি যাই নি। আজ যেতে চাই।নেবে আমাকে?
শষীঃ
তিশাঃ আচ্ছা শুধু আজকের রাতটা।
বিশ্বাস করো আমি কোনো প্রপার্টি নিতে যাবো না। শুভর কি,কি আছে আমি জানিনা। আর ওর কিছু না থাকলেও আমি ওকে নিয়ে খুব সুখে থাকতে পারবো। আর আমার বাচ্চারাও পারবে। আসলে আমার খুব যেতে ইচ্চে করছে ও বাড়িতে। বিয়ের পড়ে তো আর যাই নি। ছমাস হয়ে এলো। প্লিজ ভাবি। নিবে আমাকে?
শষীঃ

তিশাঃ কিছু বলছো না যে।
শষীঃ
তিশাঃ মুখটা এমন করে আছো কেনো? আচ্ছা যাবোনা। তবুও মুখ টা এমন করে থেকোনা। ভালো লাগেনা দেখতে।ভাই তো রেগে যাবে চাঁনবদন মুখটা এমন দেখলে। হাহা
শষীঃ
তিশাঃ আমি যেতে চেয়েছি জন্য তুমি মন খারাপ করলে? সরি ভাবি। মন খারাপ করো না। আমি আর কখনও যাবো না প্রমিস। আসলে আমি যার কাছেই যাই সেই বোঝা মনে করে। এতে তোমার দোষ নেই ভাবি ।জানো তো মামুনি খুব সুন্দর রান্না করে বুঝলে । চলো খাবে।
তিশা ওর ভাবির হাত ধরে পিছে ঘুরেই থমকে যায়। তিশার পিছে ওর ভাই এতো সময় দাড়িয়ে ছিলো আর ওর ভাই এর পিছে শুভ। ওদের মুখ দেখে বুঝতে পারে এতোসময়ের বলা কথা গুলো ওরা দুজনেই শুনেছে।
তিশা কিছু বলতে গেলেই তীর্থ পিছে সরে যায়।
তীর্থঃওহ্ তারমানে আমার আড়ালে এসব হয়? আর আমি এসবের কিচ্ছু জানিনা।
তিশাঃ ভাই,ভাই তুমি আমার কথা শুনো। আমি আর ভাবি তো অন্য বিষয়ে।
তীর্থঃ আমি তোর সাথে কথা বলছি না বাচ্চা। আজ মনে হচ্ছে আমি আমার দ্বায়িত্ব পালন করতে পারিনি । বাবাকে দেওয়া শেষ কথাটা আমি রাখতে পারিনি।

তিশাঃ ভাই, প্লিজ শোন এমন কিছু না। তুই অনেক ভালো ভাই। পৃথিবীর বেস্ট ভাই তুই।
তীর্থঃ শষী, কোন জিনিসের অভাব রেখেছি আমি তোমার যে আমার বোনটাকে তুমি এতো কষ্ট দিয়েছো?
শষীঃ
তিশাঃ ভাই তুই ভাবিকে কিছু বলবি না। তুই আমার আমার সাথে আয়।
তীর্থ তিশার হাত ছাড়িয়ে দেয়।
তীর্থঃ ৭০% প্রপার্টির মালিক ও। তোমার কি যোগ্যতা আছে ওকে অর্ডারদেবার? তুমি কোন সাহসে আমার বোনকে আমার বাড়ি যেতে বারন করো?
আমার এতো ব্যালেন্স আছে যে আমার বচ্চারা সারাজিবন বসে খেতে পারবে। আর সেই তুমি আমার একটি মাত্র বোনকে হিংসা করো?
,
তিশাঃ ভাই,,,, ভাই,,,

তীথঃ তুই কি রে বাচ্চা?এতোকিছু হয়ে গেছে আর আমাকে টু শব্দটাও জানতে দিস নি।
তিশাঃ ভাবি যা করেছে ভুল বুঝে করেছে। ভাবির কনো িনটেনশন ছিলো না আমাকে কষ্ট দেবার। ভাবি তো তোমাদের বাচ্চার কথা ভেবে,,,
তীর্থঃ এখান থেকে সোজা বাপের বাড়ি চলে যাবে। তোমাকে আর আমার বাড়িতে থাকতে দিবো না। আর আমার জীবনেও,
,
তিশাঃ পাগল হয়ে গেলি? তিশা শুভর সামনে যায়,
শুভ তুমি কিছু বলছোনা কেনো?
শুভঃ ভাইয়া তোমার বড়। উনি যা করবেন বুঝে শুনেই করবে।
তিশাঃ প্লিজ শুভ। প্লিজ সব ঠিক করে দাও। তুমি যা বলবে আমি তাই করবো। আমি চাই না আমার জন্য ভাই,আর ভাবির মধ্যে কোনো সমস্যা হোক। প্লিজ।
,
শুভঃ আরেহ বাহ্ ভাবি তুমি তো জমিয়ে দিয়েছো। তুমি পাশ করেছো। আর তিশা তুমি কি বুঝলে তোমার ভাই কাকে বেশি ভালোবাসে।
তিশা শুভ দিকে তাকায়।
শুভঃ( কথায় তাল মেলাও)ফিসফিস করে।
তীর্থ ঃ মানে?
শুভঃ মানে হলো আপনার বোন সেদিন ১০টা স্লিপিং পিল নেয় নি। নিয়েছিলো ৫টটা। আর বলেছিলো ১০টা। কারন ও দেখতে চেয়েছিলো আমি ওকে ভালোবাসি কি,না। তেমনি ও আজ ভাবিকে পটিয়ে এসব বলে এটা দেখতে চেয়েছিলো তুমি ওকে কতটা ভালোবাসো। কি তাই তো?
তিশাঃ হ্যা,হ্যা তাই। ভাই শুভ ঠিক বলছে। তাই না ভাবি। তুমি চুপ করে আছো কেনো। বলোনা।
,

তীর্থঃ ওকে দেখে তো মনে হচ্ছেনা এই কথা গুলো সত্যি।
,
শুভঃ আরে কি বলেন সব। বাদ দিন তো চলেন আপনার সাথে আমার কথা আছে।
,
শুভ টেনে তীর্থকে সাথে নিয়ে যায়।
তিশাঃ কেঁদোনা ভাবি।sorry।আমি যদি এসব কথা এখন না বলতাম তাহলে।
শষীঃ সত্য কখনও চেপে থাকে না তিশা।
তিশাঃ যে সত্য তে কোনো ক্ষতি হয় সেই সত্যের বাঁধন শক্তই থাক। সেটা না খোলাই বেটার। চলো তুমি। মন খারাপ করো না। শুভ সব সামলে নিবে।
,

রাতে…..
তীর্থঃ এবার তো আমাদের যেতে হবে। সারাদিন অনেক তো হলো।
তিশাঃ না ভাইয়া তুই যাবি না।
কথাটা বলেই তিশা আবার ভাই এর গা ঘেঁষে বসে পরে।
তীর্থঃ বোনের শশুরবাড়ি এসে এতো থাকতে নেই।
তিশাঃ তাহলে আমাদের সবাইকে নিয়ে চলো।
তীর্থঃ যাবি?
তিশা শুভর দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়িয়ে না বলে।
তীর্থঃ কেনো? অনেক দিন তো যাস না। যাবিনা কেনো???
তিশার তখন একটু আগের কথা মনে পড়ে,
শুভ তখন সবার আড়ালে তিশাকে টেনে বেলকুনিতে নিয়ে আসে।
তিশা কিছু বলার আগেই শুভ তিশাকে টেনে তিশার ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে দেয়। শুভর আচমকা এমন ভালোবাসার আক্রমনে তিশা ভয় পেয়ে যায়। আঁকড়ে ধরে শুভকে। শুভ পাগলের মতো তিশাকে উষ্ণ ছোঁয়ায় ভরিয়ে দিতে থাকে। তিশা শুভর কাছে কাছে এমন ভালোবাসার ছোঁয়া দ্বিতীয়বার পেলো। তিশা ঠকঠক করে কাঁপতে শুরু করে। শুভ তিশাকে শক্ত করে বুকের সাথে জরীয়ে নেয়। শুভে ভালোবাসার ছোঁয়া বাড়তেই থাকে। ঠোঁট ছেড়ে শুভ তিশার গলায় মুখ ডুবিয়ে দেয়। শুভর উষ্ণ ছোয়ায় তিশা হারিয়ে গেছে, মাতাল হয়ে গেছে। শুভ মুখ তুলে তিশার ঠোঁটে শব্দ করে তিন চারটে চুমু একনাগারে খেয়ে সরে আসে । তিশা এখনও কেঁপে যাচ্ছে। শুভ তিশাকে বুকের সাথে জরীয়ে নেয়।
)- আর কখনও নিজেকে কারো সামনে বোঝা বলে তুলে ধরবি না। তুই বউ আমার। কখনও নিজেকে কারো সামনে ছোট করবি না। বড্ড ভালোবাসি তোকে। বুঝিস না কেনো?
,

তিশা শুভকে আঁকড়ে ধরে।
)- এখন নিচে চলো সবাই বসে আছে।
)- যাচ্ছি, তার আগে একটা কথা বাপের বাড়ি যাবার কথা শুনলেই ঠ্যাং ভেঙে দিবো।
,
শুভ তিশাকে টেনে ওর ঠোঁটে গভীর ভাবে একটা চুমু দিয়ে নিচে চলে আসে।
,

তখনকার কথা মনে হতেই তিশার মুখটা লাল হয়ে যায় লজ্জায়। মাথা নিচু করে কোনো রকমে ভাই এর সাথে কথা বলে,।
শুভঃ একটা কথা বলার ছিলো আপনাদের। আম্মু আর আব্বুর সাথে এ নিয়ে কথা বলেছি, উনারাই আমাকে একাজে উদ্ভুদ্ধ করেছেন।
তীর্থঃ কি? আবার বিয়ে করার ইচ্ছে আছে নাকি?
শুভঃ করলে মন্দ হয় না। কি বলো তিশু?
তীর্থঃ করে নাও। আমি আমার বোনকে নিয়ে যাই। হাহাহা
শুভঃ জীবন থাকতে আর ছাড়ছি না আমি আমার বউকে।যাই হোক,
এই পেপারে আপনাদের একটা সাইন লাগবে।
তীর্থঃ কিসের পেপারস এগুলো?
শুভঃ আসলে ব্যবসা টা গোপনে ছিলো জন্য কোনো অ্যামাউন্ট খরচ হয়নি। আমার দুটো প্রতিষ্ঠান ছাড়া ৪টা প্রপার্টি আছে। সেগুলো সব প্রপাটেই। সব ভাড়াতে আছে। আর আমি আমার সব প্রপার্টি আমার বউ এর নামে করে দিতে চাই।
তিশাঃ কিহ্ অসম্ভব।
শুভঃ তোমার মতামত কে চেয়েছে?
তীর্থঃ এত সম্পত্তি ও কি করবে? আমার প্রপার্টি আছে তো।
শুভঃ আপনি রাগ করেন না ভাই। বিয়ের আগে যা করেছেন করেছেন। বিয়ের পরে ও এখন আমার সম্পত্তি। ওর দ্বায়িত্ব আমি একাই নিতে চাই। আর আশা করি আমি সেই যোগ্যতা আমার আমার আছে।
তীর্থঃ কিন্তুু,,,

শুভঃ কোনো কিন্তুু নয়। এর বেশি হলে কিন্তুু আমি আমার বউকে বাপের বাড়ি যেতে দিবো না হ্যা।
তীর্থঃ হাহাহা তাই? তাহলে তো আমিও দেখবো। বোনকে না হয় নাই দিলাম। যখন আমার ভাগ্নি,ভাগ্নে হবে তখন দেখবো কি করে আমাকে বারন করে আটকিয়ে রাখো। ,,,,
,
কথাবার্তা শেষে তিশার ভাই,ভাবী চলে যায়। আর তিশা এসে শুভকে জরীয়ে কান্না করতে থাকে।…………….