ছেলেদের মত মে’য়েদের মুসলমা’নি করানো হয় যেখানে

0
51

উঠতি ব’য়সের মে’য়েদের খ,ত,না দেওয়ার চল রয়েছে আফ্রিকার দেশগু’লোতে। কেনিয়া এদের অন্যতম।মে’য়ে বি’য়ের উপযুক্ত হয়েছে কিনা তা যাচাই করতে খ,ত,না করানোসেখানকার একটা পুরনো রেওয়াজ।

রয়টার্সের এক ফটোসাংবাদিকের ক্যামেরায় সম্প্রতি কেনিয়ার পাকট সম্প্রদা’য়ের মে’য়েদের খ,ত,না দেওয়ার করুণ চিত্র উঠে এসেছে। দেশটিতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে এ খ,ত,না নিতে হয় মে’য়েদের।এ সময় তাদের পরানো হয় প্রা’ণীর চামড়া। এর পর প্রত্যন্ত অঞ্চলের বড় পাথরখণ্ডের ও’পর তাকে আলাদা ক’রে রাখা হয়। কয়েক দিন বন্ধ রাখা হয় খাবার-দাবার।তিন বছর আগে মে’য়েদের খ,ত,নাকে ব’র্ব’র’তার অন্যতম মাধ্যম উল্লেখ তা অ’বৈধ ঘোষণা ক’রে সে দেশের স’রকার।

এ সময় তাদের পরানো হয় প্রা’ণীর চামড়া। এর পর প্রত্যন্ত অঞ্চলের বড় পাথরখণ্ডের ও’পর তাকে আলাদা ক’রে রাখা হয়। কয়েক দিন বন্ধ রাখা হয় খাবার-দাবার।তিন বছর আগে মে’য়েদের খ,ত,নাকে ব’র্ব’র’তার অন্যতম মাধ্যম উল্লেখ তা অ’বৈধ ঘোষণা ক’রে সে দেশের স’রকার। কিন্তু এখনো বিভিন্ন উপজাতীয় গোষ্ঠীর মধ্যে এর প্র’চ’ল’ন ব্যা’প’ক। আ’ই’নের চেয়ে নিজেদের ঐতিহ্যকে বেশি গু’’রু’ত্ব দেয় তারা। এছাড়া যৌ’.’নমিল’নে স’ক্ষ’ম কি না, বি’য়ের আগে তা নিশ্চিত করতেই মূ’লত খ,ত,না দেওয়া হয়। খ,ত,নার আগে তাদের সাজানো হয়। দু’ধ দিয়ে গোসল করানোসহ মানা হয় নানা পারিবারিক ও সামাজিক ঐতিহ্য।

স’রকারের বিধিনি’ষেধ থাকার পরও কেনিয়ার এক-তৃতীয়াংশ না’রীকে এ খ,ত,নার মতো অ’গ্নিপরীক্ষার সম্মুখীন ‘হতে হয়। পিতামাতা এটাকে তাদের ঐতিহ্য হিসেবে দেখেন।খ,ত,না অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া এক বাবা বললেন, ‘এটা আমা’দের সংস্কৃতি।মে’য়ে বি’য়ে দেওয়ার উপযুক্ত কি না, তা পরীক্ষা করতে এটা করা হয়।’ খ,ত,নার আগের দিন বাড়িতে বিভিন্ন রঙে সাজানো হয়। চলে মে’য়েদের নাচ ও গানের আসর। রঙের হোলি খেলায় মেতে ওঠেন তারা।

কেনিয়ার পাকট সম্প্রদায়ে এটা বেশপ্র’চ’ল’ন।খ,ত,না অনুষ্ঠানে আগত ওই সম্প্রদা’য়ের এক মা বলেন, ‘মে’য়ে কতটুকু শ’ক্তিশালী তা প্রমাণের মাধ্যম এটি।এ কাজ আমা’র মে’য়ে করছে বলে আমি খুবই আ’নন্দিত।’ ইউনিসেফের মতে, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের ২৯টি দেশে এ খ,ত,না দেওয়ার চল রয়েছে। প্রতিবছর এ প্রা’ণ’ঘা’তী খ,ত,নার সময় প্র’চু’র র’ক্তক্ষরণে মা’রা যায় অনেক না’রী।তার পরও ঐতিহ্য রক্ষার নামে এ কঠিন অ’গ্নিপরীক্ষার মুখোমুখি ‘হতে হচ্ছে মে’য়েদের।