শা’রিরিক মি’লন দী’র্ঘা’য়িত করার কিছু প’দ্ধতি

0
25

মি’লন দীর্ঘস্থা’য়ী করতে সব পুরুষই চায়। প্রত্যেকটি পুরুষ চায় প’রিপূর্ণ ভাবে মি’লন করতে। তবে নানান রকম কারণে মানুষের স্বা’স্থ্য এবং মিলন করার ক্ষ’মতা ন’ষ্ট হয়ে যায়। পৃথিবীতে অধিকাংশ দ’ম্পতি’ই কোনো না কোনো এক সময় এই অ’ভিযোগটা করেন, যে বিয়ের কিছু বছর পরেই পরস্পরের প্রতি আকর্ষ’ণ হারিয়ে যায়।

সাধারনত অধিক সময় নিয়ে মিল’ন করাটা পুরুষের স’ক্ষমতার উপরই নির্ভর করে। তথাপি কিছু পদ্ধতি অবল’ম্বন করে পুরুষরা তাদের মিল’ন কাল দী’র্ঘায়িত করতে পারেন। তবে কে কতটা দীর্ঘ সময় নিয়ে মিল’ন করবে এটা অনেকটাই তাদের চর্চার উপর নির্ভর করে থাকে। আসুন জেনে সবচাইতে বড় যে ভুলটি করেন বেশিরভাগ মানুষ,

সেটা হলো বিয়ের পর নিজেকে আর আগের মত যত্ন না করা। এবার এক নজরে দেখে নিন মিলন দীর্ঘস্থা’য়ী করার আরো কিছু কা’র্যকারী উপায় সম্পর্কে। নিজেকে সাজানো, নিজের সৌন্দর্য রক্ষা করা, শরীর সুগঠিত রাখা ইত্যাদি কাজগুলো করেন না। সময়ের সাথে সাথে জীবন থেকে হারিয়ে যায় নিজেকে সুন্দর দেখাবার প্রয়াস। স্বভাবতই স’ঙ্গীর চোখেও আপনি হয়ে পড়তে থাকেন সাদামাটা।

অনেক ক্ষেত্রে কু’ত্‍সিতও!বিয়ে হয়ে গেলো মানেই ফুরিয়ে গেছে সব? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাই হয়। নিই মি’লন দী’র্ঘায়িত করার কিছু পদ্ধতি সম্পর্কে।মাঝে মাঝে একটু দুরত্ব বজায় রাখুন একটি খাবার যদি আপনি প্রতিদিন খান, কেমন লাগবে আপনার? কিংবা এক সিনেমা যদি রোজ দেখেন? সারাক্ষণ পর’স্পরের সঙ্গে থাকলেও তাই হয়। কখনো তাঁকে ছাড়াই বেড়াতে যান।

বন্ধুদের সঙ্গে মিশুন, নিজেকেও সময় দিন। একটু দূরত্ব স’ম্পর্কের জন্য ভালো। কেবল দু’জনে কোথাও বেড়াতে যাওয়া, একটা রোম্যান্টি’ক ডেট, রোম্যান্টি’ক মেসেজ চালাচালি এসব যেন কোথায় হারিয়ে যায়। এমনকি দাম্প’ত্য জীবনটাও হয়ে পড়ে একদম একঘেয়ে। অনেকেই মনে করেন, বিয়ে তো হয়েই গেছে! এখন আর এসব করে কী লাভ? আরে, বিয়ের পরই তো এসবের বেশী প্রয়োজন।

রো’মান্টিকতার চর্চা করুন মানসিক ও শারীরি’ক ভাবে। প্রেম ও দাম্প’ত্য দুনিয়া, দু’টোকেই ভরিয়ে রাখুন নতুনত্বে। এদিকে মে’য়েদের যৌ’ন চা*হিদা কত বছর বয়স পর্যন্ত থাকে জেনে নিন নারী পুরুষ ব্যাপার সবসময়ই অ’তিরঞ্জিত একটা ব্যাপার। এই ব্যাপারে মতামতও মানুষের ভিন্ন।

শা**রীরিক ক্ষেত্রে কখনও এরকমও শোনা যায় যে নারীদের আকাঙ্খা পুরুষদের থেকে অনেক গুণ বেশি। আবার কখনও এটাকে ভুল প্রমাণ করেও দেখানো হয়ে থাকে। কিন্তু এসব ছাড়াও ইতিহাস আজ থেকে নয় সেই আদিম থেকেই চলে আসছে এর ধারা। আর এখনও পর্যন্ত সারা বিশ্বব্যাপী চলছে সুস্থ এবং স্বাভাবিক শা**রীরিক চাহিদা। তবে, একটা কথা মাথায় রাখা দরকার যে সবসময় স্বেচ্ছায় সংঘঠিত মি**লন।

এরূপ অন্যথা হলে সেটা আর যাইহোক সুস্থ স’ম্পর্ক একেবারেই নয়। ইচ্ছের বি’রুদ্ধে গিয়ে কোনো নারী কোনো পুরুষের সাথে কিংবা কোনো পুরুষ কোনো নারীর সাথে লিপ্ত হতে পারেননা। আর এর পাশাপাশি এটাও স্বাভাবিক যে সবার বাসনা বা আগ্রহ এক হয়না। তবে, একটা কথা মাথায় রাখা দরকার যে সবসময় স্বেচ্ছায় সংঘঠিত মি**লন।

এরূপ অন্যথা হলে সেটা আর যাইহোক সুস্থ স’ম্পর্ক একেবারেই নয়। ইচ্ছের বি’রুদ্ধে গিয়ে কোনো নারী কোনো পুরুষের সাথে কিংবা কোনো পুরুষ কোনো নারীর সাথে লিপ্ত হতে পারেননা। আর এর পাশাপাশি এটাও স্বাভাবিক যে সবার বাসনা বা আগ্রহ এক হয়না। আবার কোনো কোনো নারী-পুরুষ সুস্থ পক্ষপাতি এবং তারা প্রয়োজন মাফিক মিলন পছন্দ করে। আবার কিছু কিছু নারী-পুরুষ যৌ’নতাকে খুবই কম মাত্রায় পছন্দ করে।

অনেকের এ ব্যাপারে ভীতিও থাকে। যৌ’নতার ব্যাপার বিশেষ করে নারী, পুরুষের যৌ’নতার ব্যাপারে উত্সাহ এবং আগ্রহ যদি না থাকে তবে চরম পুলক আসতে পারে না। নারীদের ইচ্ছার সময়সীমা : মেয়েদের চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এরপরে ভালই কমে যায়।

সম্পর্কগুলো সুন্দর করে শেষ করা যায় না? পেশায় একজন চিকিৎসক। সন্তানেরা সব বড় বড়। হঠাৎ করে তাঁর স্ত্রী উদ্ধার করলেন এই লোক বিগত ১৯/২০ বছর ধরে একজন নার্সের সাথে শারীরিক ও মানসিকভাবে জড়িত। লোকের ভাষায় পরকীয়া, অনেকের ভাষায় ব্যভিচার ইত্যাদি। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর – ‘সামাজিক ও পারিবারিক স্বীকৃত’ স্ত্রী’র টালমাটাল অবস্থা। মানসিকভাবে ভীষণ ভেঙে পড়েছেন।

“কার সাথে এতোদিন সংসার করলাম, কার সন্তানের মা হলাম, কাকে এতো ভালোবেসে মায়া করে রেঁধে খাওলাম, কার পরিবারের সকল সদস্যকে আপন করে নিয়েছিলাম, কার বাবা-মা’কে মাথায় তুলে সম্মান ও সেবা যত্ন করলাম ইত্যাদি নানা রকম হিসেব।” সাথে আছে সমাজ-সংসারের রক্তচক্ষু! “কেমন স্ত্রী – এতোদিন ধরে স্বামী অন্য বেটির সাথে থাকে টের পায়নি!

” “কেমন স্ত্রী – স্বামীকে বশে রাখতে পারেনি” “

কেমন স্ত্রী কেমন স্ত্রী কেমন স্ত্রী” – চারদিক থেকে আঙ্গুল তুলা হচ্ছে স্ত্রীর দিকে। আর, স্ত্রী ভাবছেন শুধুই ভাবছেন – “স্বামীকে বিশ্বাস করা কি তবে ভুল, অন্যায়?” কেস স্টাডি: দুই একজন নারী চিকিৎসক। অসম্ভব সুন্দর ও ভালো মানুষ। পেশায় খুব সফল। বন্ধুদের মধ্যে খুব ভালোবাসার মানুষ। সহকর্মীরা ভীষণ পছন্দ করেন। ঘরের সহকর্মী, ড্রাইভার থেকে শুরু করে সবাই খুব সমীহ- শ্রদ্ধা করে। তিনি সন্তানদের মা হিসেবে খুবই কেয়ারিং। সন্তানদের পড়াশোনা থেকে শুরু করে রান্নাঘর সামলান। স্বামীর সকল প্রকার চাহিদা গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তার কাছে -পরিবার খুব গুরুত্বপূর্ণ।