পাকা নয়, আট কঠিন রো’গের মহৌষুধ কাঁচা পেঁপে!

0
70

বারোমাসি একটি ফল হচ্ছে পেঁপে। পেঁপে খুবই সহজলভ্য একটি ফল। পেঁপে এমন একটি ফল যা পুষ্টিগুণে ভরপুর। যা কাঁচা কিংবা পাকা দুইভাবেই খাওয়া যায়।

সুমিষ্ট পাকা পেঁপে খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। তবে কাঁচা পেঁপের গুণ স’ম্পর্কে জা’নেন কী?রান্না করে কিংবা সালাদ হিসেবেও কাঁচা পেঁপে বেশ মজা করেই খেয়ে থাকেন সবাই।

১০০ গ্রাম কাঁচা পেঁপেতে শর্করা ৭.২ গ্রাম, ক্যালোরি থাকে ৩২ কিলো, ভিটামিন সি ৫৭ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ৬.০ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ৬৯ মিলিগ্রাম, খনিজ ০.৫ মিলিগ্রাম এবং ফ্যাট বা চর্বি থাকে ০.১ মিলিগ্রাম পাওয়া যায়।

এর রয়েছে অনেক স্বা’স্থ্য উপকারিতা। নানা রো’গের মহৌষুধ হিসেবে কাজ করে এই ফল। আসুন জে’নে নেয়া যাক কাঁচা পেঁপের গুণাগুণ স’ম্পর্কে-

ওজন নিয়ন্ত্রণ ক’রতে কাঁচা পেঁপে খুবই গু’রুত্বপূর্ণ। এতে যথেষ্ট আঁশ বা ফাইবার রয়েছে। পেঁপেতে যেমন কম ক্যালোরি আছে, তেমন মেদ কমানোর জন্য বিশেষ কিছু উপাদান রয়েছে।

কাঁচা পেঁপে দে’হের সঠিক র’ক্ত সরবরাহে কাজ করে। দে’হে জমা থাকা সোডিয়াম দূ’র ক’রতে সহায়তা করে যা হৃৎপিণ্ডের রো’গের জন্য দায়ী। নিয়মিত পেঁপে খেলে উচ্চ র’ক্ত চা’পের হাত থেকে মু’ক্তি পাওয়া যায়।

পেঁপেতে থাকা আঁশ ক্রনিক কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি বা অম্লতা, পাইলস ও ডায়রিয়া দূ’র ক’রতে পারে। মানুষের শ’রীরকে ভেতর থেকে প’রিষ্কার ক’রতে পেঁপে দারুণ কা’র্যকর।

যারা ডায়াবেটিসে ভু’গছেন তারা কাঁচা পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস শুরু করুন। খেতে পারেন কাঁচা পেঁপের জুসও। কাঁচা পেঁপে বা এর জুস র’ক্তে চিনির পরিমাণ কমায়। আর এটি শ’রীরে ইনসুলিনের পরিমাণ বাড়ায়।

কাঁচা পেঁপেতে নানা রকম প্রাকৃতিক এনজাইম থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি এনজাইম হচ্ছে সাইমোপ্যাপিন ও প্যাপিন। এই দুটি এনজাইম প্রোটিন চর্বি ও কার্বোহাইড্রেট ভাঙতে সাহায্য করে।

নিয়মিত কাঁচা পেঁপে খেলে ত্বকের স’মস্যা দূ’র হয়। বিশেষ করে ব্রণ এবং ত্বকের ওপর নানা দাগ দূ’র ক’রতে পারে কাঁচা পেঁপে। মৃ’ত কোষ স’মস্যা দূ’র ক’রতে পারে পেঁপে।

যাদের পে’টে গোলমাল দেখা দেয়, তারা সালাদ হিসেবে কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন।প্রতিদিন দুপুর ও রাতে খাবারের পর এক টুকরো কাঁচা পেঁপে ভালো করে চিবিয়ে খান। তারপর এক গ্লাস পানি খেলে সকালে পে’ট প’রিষ্কার হয়। এতে গ্যাস্ট্রিক ও বদহ’জমের স’মস্যাও দূ’র হয়।