মে’য়েকে বিয়ের ইচ্ছে, ৪৪ বছরের ছোট নায়িকার সঙ্গে প্রে’ম! বহু বিত’র্ক মহেশের জীবনে!

0
23

বলিউডরে একেবারের প্রথম সারির পরিচালক তিনি। প্রচুর হিট ফিল্মও দিয়েছেন। কিন্তু ব্য’ক্তিগত জীবনে বারবারই পরিচালক মহেশ ভট্ট নানা বিত’র্কে জড়িয়েছেন।কখনও তাঁর স্ত্রী’কে নিয়ে বিত’র্ক, কখনও মে’য়ের বয়সী কোনও নায়িকার স’ঙ্গে প্রে’ম, এমনকি, নিজে’র মে’য়ের স’ঙ্গে স’ম্পর্ক নিয়েও বিত’র্কে জড়িয়েছেন তিনি।

ছোট থেকে মায়ের কাছেই মানুষ হয়েছেন মহেশ ভট্ট। বাবা শব্দটার স’ঙ্গে পরিচয় হলেও বাবার ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত, তা জানতেন না তিনিকারণ এক মু’সলিম মায়ের সন্তান তিনি। তাঁর মায়ের নাম শিরিন মহম্ম’দ আলি। তাহলে মহেশ ভট্ট নাম কী’ ভাবে পেলেন তিনি?

এক সাক্ষাত্কারে তিনি জা’নিয়েছিলেন, তাঁর মা নাকি বলেছিলেন, মহেশের বাবা ছে’লের এই নাম রাখতে বলেছিলেন। মহেশ ছোটবেলায় অ’পেক্ষা ক’রতেন বাবার জন্য। কবে বাবা আসবেন, তাঁর নাম কেন মহেশ রাখলেন তা বুঝিয়ে দেবেন। কিন্তু না! সে অ’পেক্ষায় কোনও লাভ হয়নি। কারণ কোনও দিনই নাকি মহেশের বাবা ছে’লের স’ঙ্গে দেখা ক’রতে আসেননি।

তবে বাবার পরিচয় মায়ের কাছ থেকে পেয়েছিলেন মহেশ। তাঁর বাবার নাম ছিল নানাভাই ভট্ট। কিন্তু মহেশের জ’ন্মের পর তাঁর ও তাঁর মায়ের কোনও দায়িত্বই নাকি নেননি নানাভাই।

মাতুঙ্গার ডন বসকো স্কুল থেকে পাশ ক’রেছেন মহেশ ভট্ট। স্কুলে পড়াকালীন উপার্জন করা শুরু করেছিলেন। গরমের ছুটিতে নানা ধ’রনের ছোটখাটো কাজ ক’রতেন অর্থ উপার্জনের জন্য। পাশাপাশি আবার ওই সময় থেকেই বিজ্ঞাপন তৈরির কাজও টুকটাক ক’রতেন।

মহেশ ভট্টের প্রথম স্ত্রী’ কিরণ ছিলেন তাঁর স্কুল জীবনের ব’ন্ধু। কিরণের প্রকৃত নাম লরেন ব্রাইট। পরে তিনি নাম বদলে নেন। কিরণ আর মহেশের দুই সন্তান-পূজা ভট্ট এবং রাহুল ভট্ট। কিন্তু কিরণের স’ঙ্গে মহেশের বিবাহিত জীবন খুব সুখের ছিল না।

সে সময় বলিউডের সুপার হিট নায়িকা পরভিন ববির স’ঙ্গে স’ম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন মহেশ ভট্ট। পরভিন ববি পরে মা’নসিকভা’বে অ’সু’স্থও হয়ে পড়েছিলেন। বলিউডে গুঞ্জন, ‘আশিকী’’ এবং ‘ওহ লম্‌হে’ ছবিটা নাকি স্ত্রী’ কিরণ এবং পরভিন ববির স’ঙ্গে তাঁর স’ম্পর্ক নিয়েই তৈরি ক’রেছেন তিনি।

পরভিন ববি যখন মা’নসিক ভাবে অ’সু’স্থ হয়ে পড়েন, মহেশ ভট্টের স’ঙ্গে তাঁর স’ম্পর্কের অবসানও ঘ’টে। মহেশ ভট্ট তখন সোনি রাজদান নামে এক অ’ভিনেত্রীর প্রে’মে পড়েন। সোনি রাজদানের মে’য়েই আলিয়া ভট্ট।

১৯৮৬ সালে সোনি রাজদানকে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু তখনও প্রথম স্ত্রী’ কিরণের স’ঙ্গে আ’ইনত ডিভোর্স হয়নি তাঁর। তাড়াতাড়ি বিয়েটা করার জন্য তিনি মায়ের মু’সলিম ধ’র্মের সাহায্য নেন।

স’ম্প্রতি ৭০ বছরের মহেশের স’ঙ্গে ২৬ বছরের বঙ্গ তনয়া রিয়া চক্রবর্তীর স’ম্পর্ক নিয়ে প্রচুর স’মালোচনা হয়। অ’ভিনেত্রী রিয়া দু’জনের একটা অন্তরঙ্গ ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছিলেন ‘‘শুভ জ’ন্ম’দিন আমা’র বুড়ো… মহেশ স্যর। এটাই আম’রা। তুমি ভালবেসে আমাকে জড়িয়ে ধ’রেছ, আমাকে ভালবাসা দিয়েছে, তুমি আমা’র চিরকালের মতো গুটিয়ে রাখা ডানা খু’লে দিয়েছে, আমাকে উড়তে শিখিয়েছে… আর কোনও শব্দ আ’সছে না, তোমাকে ভালবাসি।’’

এই পোস্টের জে’রে রিয়াকে যথেষ্ট স’মালোচিত হতে হয়েছিল। পরে অবশ্য তিনি বলেন, মহেশ তাঁর শিক্ষক। তাঁর বাবার মতো। কিন্তু তাতেও ব’ন্ধ হয়নি নি’ন্দার স্রোত।

তবে মহেশের জীবনের সবচেয়ে বড় বিত’র্ক হয়েছিল তাঁর মে’য়ে পূজা ভট্ট’কে ঘিরে। একটি ম্যাগাজিনের কভা’র ফটোশুটে মে’য়ে পূজার স’ঙ্গে অ’ত্যন্ত অন্তরঙ্গ হয়ে ছবি তুলেছিলেন মহেশ।

মে’য়েকে কোলে বসিয়ে লিপ-লক করে রয়েছেন তিনি। ছবিটা এমনই ছিল। আর ছবির ক্যাপশনে আবার মহেশ লিখেছিলেন, ‘পূজা যদি আমা’র মে’য়ে না হত, তাহলে আমি তাকে খুশি খুশি বিয়ে করতাম।’

সেই ছবি মু’হূর্তে ভাই’রাল হয়ে যায়। সারা দেশ জুড়েই তুমুল স’মালোচনার শি’কার হন তাঁরা দুজনেই। কিন্তু এত বিত’র্কের পরও মহেশ ভট্ট বা পূজা ভট্ট কেউই এই ছবি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। আর তাতেই আরও বেশি অ’বাক হয়েছিলেন দেশবাসী। ফলে এখনও তাঁদের স’ম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন রয়েই গিয়েছে।