বাংলাদেশী ত’রুণী’দের ভারতে যেভাবে দে’হ ব্য’বসা’য় বা’ধ্য করা হচ্ছে

0
16

ভারতে যৌ’ন ব্যবসায় বা’ধ্য ক’রানোর বড়সড় একটি চক্রের খোঁ’জ পেয়েছে দেশটির পু’লিশ। মূলত চাকরির টোপ দিয়ে তাদের হাত করতো এ চ’ক্রটি।

চক্রটিকে ধ’রতে গিয়ে একদিনে ১৩ জন ত’রুণীকে উ’দ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ জনই বাংলাদেশি। পশ্চিমবঙ্গের উঠতি এক মডেলের দেয়া তথ্য সূত্রে সম্প্রতি চ’ক্রটির স’ন্ধান পায় ভারতের পু’লিশ। এরপর অ’ভিযানে চালানো হয়। ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য নিউ

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, চ’ক্রটি অল্প বয়সী মেয়েদের ইন্দোরের বিজয় নগর এলাকার একটি হোটেলে আ’টকে রেখেছিল। জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গের ওই মডেল সম্প্রতি মুম্বাইয়ের আরেক মডেলের সঙ্গে একটি ইভেন্টে অংশ নেন। ইভেন্টের না’রী ম্যানেজারের প্র’স্তাবে কাজ করতে গিয়ে তারা ফাঁ’দে পড়েন।

দুজনকে মা’রধ’র করে যৌ’ন ব্যবসায় বা’ধ্য করা হয়। পরে তারা কৌশলে সেখান থেকে পা’লিয়ে থা’নায় আশ্রয় নেন। উ’দ্ধার হওয়া ১৩ জনের বয়স ১৬ থেকে ৩০। গ্রে’প্তার হওয়া সাত পুরুষের মধ্যে তিনজনের নাম জানা গেছে, তারা হলেন- ন’বীন সিসোদিয়া, কুলদীপ চন্দ্রস্বামী, রাজেন্দ্র দাওয়ার।

এর আগে ১২ সেপ্টেম্বর একইভাবে দেশটির গুজরাট রাজ্যের সুরত এলাকার একটি স্পা সেন্টার থেকে ১৪ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি কিশোরীকে উ’দ্ধার করা হয়। খুলনা থেকে পা’চার হওয়া মেয়েটি মোট চারবার বিক্রি হয়! অ’পরদিকে ভারতে নারী পা’চারকারী চ’ক্রের সঙ্গে জ’ড়িত পাঁচজনকে গ্রে’প্তার করেছে

বাংলাদেশ পু’লিশের অ’পরাধ ত’দন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানী ঢাকার মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এ তথ্য জানানো হয়। গ্রে’প্তারকৃতরা হলেন- মো. শাহীন, মো. রফিকুল ই’সলাম, বিপ্লব ঘোষ, আক্তারুল ও মো. বাবলু। সিআইডি জানায়, আ’সামিরা না’রীদের ভারত ও মালয়েশিয়ায় চাকরি দেয়ার প্রলোভনে নিয়ে যেত। এরপর অ’সামাজিক ও অ’নৈতিক কাজের জন্য জোর করে ভারতে দালাল চ’ক্রের কাছে বিক্রি করতো।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রা’ইম বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার বলেন, এ পর্যন্ত অন্তত ২০ নারী ভারতে পা’চারের কথা জানিয়েছে চক্রটি। তারা না’রীদের মালয়েশিয়া ও ভারতে চাকরি দেয়ার কথা বলে যশোর সী’মান্ত এলাকায় রফিকের বাসায় নিয়ে রাখতো।

এরপর তারা ভারতে তাদের পা’চার করতো। তাদের ভারতের গুজরাটের রাজকোট এলাকায় পা’চার করা হত বলে জানা গেছে। তিনি আরো বলেন, গ্রে’প্তার হওয়া শাহীন মূলত গাড়ি চালক। সে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পা’চারের উদ্দেশ্যে না’রীদের সংগ্রহ করে চাকরির কথা বলে গাড়িতে করে ঢাকার বাইরে নিয়ে যেত।

যশোরের সী’মান্ত এলাকায় পা’চারের উদ্দেশ্যে থাকা চক্রের সদস্য রফিকুল ই’সলামের বাড়িতে নিয়ে তার জি’ম্মায় রাখা হতো। এরপর রফিকুলের আরও এক সহযোগী বিপ্লব সেখান থেকে যশোর সী’মান্ত এলাকা পর্যন্ত পৌঁছে দিত। সেখান থেকে নারীদের পা’চারের জন্য নৌকায় করে পারাপারের কাজ করতেন বাবলু।

আ’সামিদের বরাতে তিনি বলেন, ঢাকা থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় ওই না’রীদের চে’তনা নাশ’ক ইনজেকশন দেয়া হতো। সী’মান্তবর্তী এলাকায় নিয়ে যাওয়ার পর তাদের ওপর শারীরিক নি’র্যাতন চালানো হতো।

ঘ’টনার প্রেক্ষাপট নিয়ে তিনি বলেন, এর আগে এই চক্রের মুলহোতা জান্নাতুল ওরফে জেরিন ও মহসিনুজ্জামানকে গ্রে’প্তার করা হয়। তারা ঢাকায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। টা’র্গেটকৃত না’রীকে বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভারতের দা’লাল চ’ক্রের কাছে বিক্রি করতেন। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এ পর্যন্ত সর্বমোট ৯ আ’সামিকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে।