বিয়ে করে নতুন ব’উ’কে দিয়ে দে’হ ব্য’ব’সা!

0
57

ভৈরবে একাধিক বিয়ে করে স্ত্রী’’দের দিয়ে দে’হ ব্য’বসা করান জুবায়ের হোসেন হৃদয় (৩৪) নামে এক ব্যক্তি। এমন কাজে হৃদয়কে সহযোগিতা করেন আরও কয়েকজন নারী-পু’রুষ। এ ঘটনায় মা’মলা করেন হৃদয়ের এক স্ত্রী’’। ওই মা’মলায় হৃদয়ের দুই সহযোগীকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ।

পাঁচ মাস আগে বিয়ে করা স্ত্রী’’কে দে’হ ব্য’বসায় বাধ্য করলে শনিবার (২৩ নভেম্বর) রাতে মা’মলা করা হয়। পরে হৃদয়ের সহযোগী শান্তা আক্তার ও তার স্বামী রাজু মিয়াকে গ্রে’ফতার করা হয়। রাজুকে গ্রে’ফতারের পর পালিয়ে যান হৃদয়।

অ’ভিযুক্ত জুবায়ের হোসেন হৃদয়ের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। গ্রে’ফতার হৃদয়ের সহযোগী রাজু মিয়া ভৈরবপুর দক্ষিণপাড়া বাসিন্দা সাধু মিয়ার ছেলে। গ্রে’ফতারকৃতদের রোববার (২৪ নভেম্বর) আ’দালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

হৃদয়ের স্ত্রী’’র অ’ভিযোগ, সহযোগীদের নিয়ে অনেকদিন ধরে পু’লিশ ও সিআইডি কর্মক’র্তা পরিচয় দিয়ে লোকজনের সঙ্গে প্রতারণা করছেন হৃদয়। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) রাতে ভৈরব শহরের আমলাপাড়া এলাকার একটি বাসায় স্ত্রী’’কে নিয়ে যান হৃদয়। সেখানে স্ত্রী’’কে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করা হয়। এতে রাজি না হওয়ায় স্ত্রী’’কে নি’র্যাতন করেন হৃদয়। সেখান থেকে পালিয়ে এসে শনিবার ভৈরব থানায় মা’মলা করেন স্ত্রী’’।

হৃদয়ের স্ত্রী’’ বলেন, পাঁচ মাস আগে আমা’র সঙ্গে হৃদয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসায় থাকতাম। কয়েকদিন আগে জানতে পারি এর আগে একাধিক বিয়ে করেছে হৃদয়। এরই মধ্যে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে সোমবার (১৮ নভেম্বর) আমাকে ভৈরবে নিয়ে আসা হয়। এখানে কমলপুর এলাকার হৃদয়ের এক বন্ধুর বাসায় আমাকে নেয়া হয়। শুক্রবার রাতে শহর ঘোরানোর কথা বলে আমাকে আমলাপাড়ার একটি বাসায় নিয়ে যায় হৃদয়। ওই বাসায় আগে থেকেই অবস্থান করেছিল হৃদয়ের সহযোগী রাজু। এরপর অ’পরিচিত এক ব্যক্তির রুমে আমাকে ঢুকিয়ে দিয়ে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করা হয়। এতে রাজি না হওয়ায় আমাকে মা’রধর করা হয়।

তিনি বলেন, সেখানে অ’পরিচিত এক ব্যক্তি নিজেকে পু’লিশ ও সিআইডি কর্মক’র্তা পরিচয় দিয়ে আমা’র কাছ থেকে টাকা-পয়সা কেড়ে নেয়। পরে গো’পনে এসব কথা আমা’র পরিবারকে জানাই। শনিবার সেখান থেকে পালিয়ে এসে থানায় মা’মলা করি। পরে পু’লিশ রাজুকে গ্রে’ফতার করলে হৃদয় পালিয়ে যায়।

হৃদয়ের স্ত্রী’’ আরও বলেন, একাধিক বিয়ে করে স্ত্রী’’দের দিয়ে দেহ ব্যবসা করান হৃদয়। কখনো পু’লিশ আবার কখনো সিআইডি কর্মক’র্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে হৃদয়। আমি তার কঠোর বিচার চাই।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভৈরব থানা পু’লিশের উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল আহমেদ বলেন, গৃহবধূ মা’মলা করার পর হৃদয়ের সহযোগী রাজুকে গ্রে’ফতার করা হয়। এ সময় হৃদয় পালিয়ে যায়। আ’সামিরা মূলত প্রতারক। বিয়ে করে স্ত্রী’’দের দিয়ে পতিতাবৃত্তি করায় তারা। খদ্দেরদেরকে পু’লিশ ও সিআইডির কর্মক’র্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন নারীর সঙ্গে প্রতারণা করছে এই চক্রটি। এ ঘটনায় জ’ড়িতদের গ্রে’ফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।