যে’ভাবে বা’স’র রা’তে বু’ঝ’বেন স্ত্রী’র কা’ছে আ’পনি প্র’থম পু’রু’ষ কি না!

0
99

বি’য়ের প্রথম রাত, অর্থাৎ ফুলশয্যার রাত হচ্ছে যে কোনো দম্পতির জীবনের সবচাইতে গু’’’রুত্বপূর্ণ রাত। বলাই বাহুল্য যে এই রাত নিয়ে উভ’য়েরই অনেক স্বপ্ন, অনেক চাওয়া-পাওয়া থাকে।

না’রী না হয় একবুক আশা নিয়ে স্বা’মীর জীবন স’’’’ঙ্গী হয়ে শ্বশুর বাড়িতে যান। কিন্তু স্বা’মী কী আশা ক’রেন স্ত্রী’র কাছে? ফুলশয্যার রাতে প্রত্যেক স্বা’মীই নিজের স্ত্রী কাছ থেকে ৭টি বি’ষয় আশা ক’রেন। পাঠকদের কাছে তা তুলে ধ’রা হলো: ১. আ’নন্দ দেখা যাব’’’ে অ’প্সরার মতন:জীবনে খুব কম মানুষই বারবার বি’য়ে ক’রেন।

তাই বিশেষ এই রাতটি জীবনে বারবার ফিরে আসে না। তাই প্রত্যেক পু’রুষই আ’নন্দ সেদিন নিজের স্বপ্নকন্যা রূপে দেখতে চান। আশা ক’রে থাকেন যে আ’নন্দ দেখাবে পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর রমনীর মত। ২. স্ত্রী’র জীবনে তিনিই প্রথম পু’রুষ : অধিকাংশ পু’রুষ আজও আশা ক’রেন যে স্ত্রী ভার্জিন হবে। অর্থাৎ তিনিই হবেন প্রথম পু’রুষ যার সাথে,

স্ত্রী প্রথম শা’রীরিক স’ম্পর্ক ক’রেছে। ৩. একটু ল’জ্জা: ল’জ্জা না’রীর ভূষণ। এই কথাটি ফুলশয্যার রাতেই যেন সবচাইতে বড় সত্য। বি’য়ে প্রেমের হোক বা পারিবারিক, প্রত্যেক পু’রুষই এই বিশেষ রাতে আশা ক’রে থাকেন যে স্ত্রী একটু ল’জ্জা পাবেন। একটু প্রেমের ছলকলা খেলবেন, আর তবেই ধ’রা দেবেন প্রেমের বন্ধ’নে।

৪. সমৃ’’’দ্ধ জীবনের আ শ্বা’স: দুজনে একত্রে নতুন জীবন শুরু করতে চলেছেন, বি’য়ের এই প্রথম রাতটি তাই ভীষণ গু’’’রুত্বপূর্ণ। প’রস্পরকে আ শ্বা’স ও প্রতিজ্ঞা করার জন্য আদর্শ সময়। স্বা’মীও আশা ক’রেন যে স্ত্রী তাকে একটু সুখের সংসারের আ শ্বা’স দেবেন। ৫. নিজের প্রশংসা : নিজের প্রশংসা শুনতে কে না ভালোবাসে?

আর পু’রুষেরা তো স্ত্রী’র মুখে নিজের প্রশংসা শুনতে সবচাইতে বেশি পছন্দ ক’রেন। বি’য়ের প্রথম রাতেই এই প্রত্যাশা থাকে সবচাইতে বেশি। ৬. শ্বশুর বাড়ির প্রা’ ‘’’প্তি নিয়ে সন্তুষ্টি প্র’কা’শ : বি’য়েতে কী হলো, কী হলো না, কী পেলেন, কী পেলেন না ইত্যাদি নিয়ে ‘’’হতাশা বা ক্ষো’ভ ব্যক্ত না ক’রে যা পেয়েছেন সেটা নিয়েই সন্তুষ্টি প্র’কা’শ করুন।

দেখবেন স্বা’মীর চোখে আপনার সম্মান হয়ে উঠেছে আকাশচুম্বী। সমৃ’’’দ্ধ জীবনের আ শ্বা’স: দুজনে একত্রে নতুন জীবন শুরু করতে চলেছেন ৭. নিজের ভার স্বা’মীর হাতে ছেড়ে দেয়া : এটা সেই বিশেষ রাত, যে রাতে স্ত্রী নিজেকে অর্পণ ক’রেন স্বা’মীর জীবনে। নিজের দায়িত্ব ছেড়ে দেন স্বা’মীর হাতে। আর আপনি যতই স্বাধীনচেতা না’রী হয়ে থাকুন না কেন,

আপনার স্বা’মী কিন্তু সারা জীবনই চাইবেন যে আপনি তাকে বি শ্বা’স ও ভরসা করুন। আর এই কাজটি বি’য়ের রাতে ক’র’লে খুশি হয়ে ওঠেন সকল পু’রুষই। সুখবরঃ এলপিজি গ্যাসের দাম কমলো——–দাম বাড়ার এক মাসের মধ্যেই আবারও কমলো দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) দাম।

বেসরকারি খাতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের এলপিজি মূসকসহ সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১ হাজার ৩১৩ টাকা থেকে কমিয়ে ১ হাজার ২২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে ১২ কেজি এলপিজি গ্যাসের দাম ৮৫ টাকা কমেছে। নতুন এ দাম আগামীকাল শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে বলে বিইআরসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

এর আগে গত নভেম্বর মাসে ১২ কেজি এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩১৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। গত অক্টোবরে এলপিজি মূসকসহ কেজি-প্রতি ৮৬ টাকা ৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০৪ দশমিক ৯২

টাকা করেছিল বিইআরসি। এর ফলে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম অক্টোবর মাসে ১ হাজার ৩৩ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ২৫৯ টাকা হয়। গত ১০ অক্টোবর থেকে এই দাম কার্যকর করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, একইসাথে বেড়েছে পরিবহনে ব্যবহৃত এলপি গ্যাসের দাম। যা অটোগ্যাস নামে প্রচলিত। নভেম্বর মাসের জন্য অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৫৮ দশমিক ৬৮ থেকে বাড়িয়ে ৬১ টাকা ১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। লিটারে বেড়েছে ২ টাকা ৫০ পয়সা।

আর গেল অক্টোবরেই বেড়েছিল ৮ টাকা ১২ পয়সা। এতে আরো বলা হয়, সৌদি সিপি অনুসারে সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে প্রোপেন ও বিউটেনের দাম যথাক্রমে টন প্রতি ৮৭০ এবং ৮৩০ ডলার, মিশ্রণ অনুপাত ৩৫:৬৫ বিবেচনায় নভেম্বরে জন্য এ

নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। যা অক্টোবরে ছিল যথাক্রমে প্রতি টন ৮০০ ডলার এবং ৭৯৫ ডলার।