‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ লিখে পা’কিস্তানি চাল বিক্রি করছে ভা’রতীয়রা!

0
71

পা’কিস্তানি ব্যবসায়ীরা অ’ভিযোগ করেছেন, তাদের দেশের চাল ভা’রতীয় ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক বাজারে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ বলে বিক্রি করছে। এই ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ ব্যক্ত করেছেন তারা।

জার্মান গণমাধ্যম ডয়চে ভেলের সাথে কথা বলার সময় পা’কিস্তানের চারাঘ গ্রুপ অব কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক খলিল আহমেদ অ’ভিযোগ করেন- মাস্কাট, সৌদি আরব ও দুবাইয়ের ভা’রতীয় ব্যবসায়ীরা প্রথমে আমাদের কাছ থেকে চাল কেনে। পরে এই চালই তারা নিজস্ব ব্র্যান্ড এবং লেবেল দিয়ে বিক্রি করে।

এ পরিস্থিতিতে পা’কিস্তানের চাল রপ্তানি সমিতি আন্তর্জাতিক আ’দালতে ভা’রতীয় চাল ক্রয়কারী কোম্পানিগুলোর বি’রুদ্ধে মা’মলা করেছে। মা’মলা’টি আ’দালতে বিচারাধীন থাকায় সমিতি এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

চাল ব্যবসায়ীদের মতে, বিষয়টি শুধু ব্র্যান্ডিং নিয়ে নয়। চাল উৎপাদনে অনেকগুলো ধাপের প্রতিটিতেই কৃষকসহ সংশ্লিষ্টরা অনেকে ক’ষ্ট করে থাকেন। এরপর সেই চাল শুধু ক্রয় করে নিজেদের ব্র্যান্ডিং করা, এমনকি দেশের নামও পাল্টে ফেলা অনাকাঙ্ক্ষিত।

পা’কিস্তান বিভিন্ন দেশে ৩৬ মিলিয়ন টন চাল রপ্তানি করে, যার মধ্যে বাসমতি চাল ২০ শতাংশ। এর আগেও বাসমতি চাল নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছিল ভা’রত-পা’কিস্তান। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে রফতানি করা বাসমতি চালের জন্য এক্সক্লুসিভ জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন (জিআই) ট্যাগ চেয়ে জোটটির কাছে আবেদন করে দিল্লি।

পা’কিস্তান এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছিল, বাসমতি চাল শুধু ভা’রতেই নয়, পা’কিস্তানেও ভালো মানের বাসমতি উৎপাদিত হয় এবং পা’কিস্তান প্রচুর পরিমাণে বাসমতি চাল বিদেশে রপ্তানি করে। ভা’রত এককভাবে জিআই ট্যাগ পেলে ইউরোপের বাজারে পা’কিস্তান থেকে বাসমতি চাল রপ্তানিতে রীতিমতো ধস নামতে পারে। পরে অবশ্য ভা’রত ও পা’কিস্তান উভ’য় দেশই বাসমতির জিআই লাভ করে।