বী’র্জপাতের পরে কি করতে হয় অনেক ছেলেই তা জানেনা

0
168

স’হবা’সের পরে দু’জনেরই উচিত কমপক্ষে এক পোয়া গরম দুধ, একরতি কেশন ও দুই তোলা মি’শ্রি সংযোগে সেবন করা। স’হবা’সে কিছু শ’ক্তির হ্রা’স হ’তে পারে। এতে করে কি’ঞ্চিৎ পূরণ হয়। অন্যথায় স’হবা’স করা উচিত নহে। এই কারণেই মনীষীরা

মাসানে- একবার র’তিক্রি’য়া ব্য’বস্থা করে দেন। যাতে উপরোক্ত সামগ্রীর যোগাড় করতে গ’রীব বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকের পক্ষেও ক’ষ্টক’র না হয়। পুষ্টিকর খাদ্য না খেলে পু’রুষ অ’চিরেই শ’ক্তিহী’ন হ’য়ে পড়ে ও তার ক’র্মশ’ক্তি লো’প পায়।

অত্যধিক মৈ’থু’নের জন্য হ’জমশ’ক্তি লো’প পায়। ফলে অ’ম্ল, অ’জীর্ণ প্রভৃতি নানা প্রকার রো’গ দেখা দেয়। এই সমস্ত রো’গের হাত থেকে নিশ্চিত ভাবে নিষকৃতির জন্য মৈ’থুনের পর দু’গ্ধ পান অত্যাবশ্যাক। অবস্থায় সম্ভব হলে নিম্নের টোটকাগুলি ব্যবহার করলে ভ’য়ের কারণ থাকবে না।

(১) বাদাম দুই তোলা ভালভাবে বেটে নিয়ে তা মিশ্রি সংযোগে মৈ’থু’নের পর গ’রম করে খেলে বিশেষ উপকার হয়।
(২) দুতোলা ঘি, দু তোলা মিশ্রি কিংবা গুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে সেবন করলে সহজে ক্ষ’য় পূরণ হয়।

(৩) মুগের ডাল ভালভাবে বেটে নিয়ে ভেজে নিন, পরে মিশ্রি কিংবা চিনি মিশিয়ে নাড়ার মত করে চার তোলার মত মৈ’থুনের পর খেয়ে নিলে উপকার হয়।

স’হবা’সের সঙ্গে সঙ্গে পু’রুষাঙ্গ ধৌ’ত করলে ন’পুং’ষকতার ল’ক্ষণ প্রকাশ পায়। সেজন্য র’তিক্রিয়ার কিছু সময় পরে পু’রুষা’ঙ্গ ধৌ’ত করা বিধেয়। এ বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখা প্রত্যেকের উচিত।

স’হবা’সের পর দেহের বিষয়ে কি কি যত্ন নিতে হবে এ বিষয়ে শা’স্ত্রে ক’তগুলি নিয়ম বি’ধিব’ন্ধ আছে। আমরা তা একে একে আলোচনা করছি।

১। স’হবা’সের পর দু’জনের কিছুক্ষণ পরস্পর সং’লগ্ন হ’য়ে অবস্থান করবে। এতে মা’নসি’ক তৃ’প্তি হয়। ধীরে ধীরে দেহ শীতল হয়। এতে প্রে’ম দী’র্ঘস্থা’য়ী হ’য়ে থাকে।

২। তারপর অবশ্য প্রত্যেকেই নিজ নিজ যৌ’না’ঙ্গ ভালভাবে ধৌত করবে-এটি অবশ্য পালনীয়। তবে কিছুক্ষণ পর।

৩। অনেক শাস্ত্রে দুজনের ্লান করা বিধান আছে তবে তা সকলে পালন করে না।
৪। শর্করা মিশ্রিত এক গ্লাস জল কিঞ্চিৎ লেবুর রস বা দধি কিংবা শুধু ঠা’ণ্ডা জল কিছু খেতে হবে। এতে শরীরের মঙ্গল করে।

৫। প্রয়োজন হরে কোন পেটেন্ট ঔ’ষধ সেব করা যাইতে পারে।
৬। স’হবা’সের পর ঘুম একান্ত আবশ্যক-তদাই শেষ রাতে সহবাস বা’ঞ্ছনীয় নয়।

৭। পরদিন প্রভাতে স্নান করা একান্ত আবশ্যক। তা না হলে মন শুচি হয় না- কর্মে প্র’ফুল্লতা আসে না। অন্যথায় পরদিন মন খা’রাপ থাকে, কর্মে এ’কঘে’য়েমি আসতে পারে।

৮। স’হ’বাস প্রা’রম্ভে বা শেষে নে’শা সেবন ভাল নয়। এতে দৈহিক ক্ষ”তি হয়-প্রেম দূরে যায়-মা’নসিক অ’সাড়তা আসতে পারে।

৯। রা’ত্রির প্রথম ও শেষ প্রহর বাদে মধ্যম অংশই স’হবা’সের পক্ষে উ’ৎকৃ’ষ্ঠ সময়, এ কথা সর্বদা মনে রাখতে হবে।

১০। স’হবা’সের পর অধিক রাত্রি জা’গরণ, অধ্যয়ন, শোক প্র’কাশ, ক’ল’হ কোন দু’রূ’হ বিষয় নিয়ে গভীর চিন্তা ও মা’নসিক কোন উ’ত্তে’জনা ভাল নয়।