শীতকালে গরম দুধের সাথে খেজুর খেলে , আপনি এই সম’স্যাগুলি থেকে মু’ক্তি পাবেন!

0
68

এক ধ’রণের শুকনো ফল, যা লাড্ডাস, খির বা অন্যান্য ধ’রণের খাবারে ব্যবহৃত হয়। চুহার খেতে সুস্বাদু তবে এর উপকারিতাও আশ্চর্যজনক শীতে দুধের সাথে এটি খেলে উপকার দ্বিগুণ হয়।

আ’সলে, ভিটামিন-এ এবং বি সমৃদ্ধ খেজুর বহু রো’গের বি’রুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়ক প্রমাণ করে। শীতে গরম দুধের সাথে খেজুর খেলে কী কী উপকার হয়, আসুন জে’নে নিই

গরম দুধের সাথে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা : খেজুর গরম দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে তা দে’হে শ’ক্তি জোগায়। ডায়াবেটিসেও খেজুরকে উপকারী মনে করা হয়।

ডায়াবেটিসে আক্রা’ন্ত ব্য’ক্তিদের দিনে অন্ত’ত একবার খেজুর খেতে হবে। এটি করে আপনি 6 মাসের মধ্যে স্বস্তি পাবেন। খেজুরের একটি প্রাকৃতিক মিষ্টি রয়েছে, যা থেকে কোনও ক্ষ’তি হয় না।

হাঁপানি থেকে মু’ক্তি: দুটি থেকে চারটি খেজুরের আগাছা খেজুরের কার্নেলগু’লি বের করে দুধে সিদ্ধ করুন। এর পরে খেজুর খাবেন এবং দুধ পান করুন। এটি ধীরে ধীরে শ্লেষ্মা সরিয়ে দেয়, যা হাঁপানিতে স্বস্তি দেয়। আ’সলে, খেজুরের তারিখটি উ’ষ্ণ, যাতে ফু’সফুস এবং হার্টের উপকার হয়।

ঘন ঘন প্রস্রাবের স’মস্যা থেকে স্রাব: কথিত আছে যে তিনটি খেজুর 300 গ্রাম দুধে সিদ্ধ করে তার পরে খেজুর খেয়ে দুধ পান করলে ঘন ঘন প্রস্রাবের স’মস্যাও চলে যায়। একই সাথে, কিছু বাচ্চাদের রাতে বি’ছানায় প্রস্রাব করার অভ্যাস রয়েছে।

এমন প’রিস্থিতিতে যদি আপনার সন্তানেরও এই স’মস্যা থাকে তবে তাকে প্রতিদিন দু’টি খেজুর খাওয়ান বা রাতে ঘুমানোর সময় দুধ খাওয়ানো দুধ দিন। কিছুদিনের মধ্যে বি’ছানায় প্রস্রাবের স’মস্যা থেকে মু’ক্তি মিলবে।

মাসিক ত্রাণ: মহিলাদের প্রতি মাসে মাসিক ব্য’থা ভোগ ক’রতে হয়। মহিলাদের পে’টে ব্য’থা, পিঠে ব্য’থা পাশাপাশি পায়ের আঁচিল হয়। এমন প’রিস্থিতিতে নিয়মিত গরম দুধের সাথে খেজুর খেলে উপশম হয়।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূ’র করে:দুই থেকে চার তারিখের খেজুর নিন এবং এটি গরুর দুধে সিদ্ধ করে খান। চিনি মিশ্রিত করুন এবং যে দুধ অবশিষ্ট রয়েছে তা পান করুন। আপনি যদি প্রতিদিন সকালে এবং সন্ধ্যায় এটি গ্রহণ করেন তবে মাড়ি থেকে র’ক্তপাতের স’মস্যাটি শেষ হয়ে যাবে।

শুধু এটিই নয়, আপনি যদি কোষ্ঠকাঠিন্যের স’মস্যা থেকে স’মস্যায় পড়ে থাকেন এবং এটি আপনার প্রতিদিনের কাজে বা’ধা হয়ে উঠছে, তবে আপনার প্রতিদিন তিনটি খেজুর সকালে এবং সন্ধ্যায় খাওয়া উচিত এবং খাওয়ার পরে গরম জল খাওয়া উচিত। এটি করে আপনি কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মু’ক্তি পাবেন।।